BD 24

    
    
    
    

    
    
    
    
    
    
    
    
    

    
    
    

    
    
    
    
    
    





 

বিপ্লবী রিজিয়া খাতুনের সাথে এক প্রহর

Sohag Sheikh ১৮ জুলাই, ২০১৬ ফিচার
img

 

২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ রাত সাড়ে এগারোটা আমি তখন নড়াইল জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে। বেজে উঠলো আমার পকেটে রাখা দূরালাপনি,‘তুমি এসেছ? হ্যাঁ আপনি কোথায় দিদি ? ওপাশ থেকে, 'আমি পাবলিক লাইব্রেরিতে? জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মেলন পরিষদের পক্ষ থেকে শহিদ মিনারে ফুল দেবার প্রস্তুতি নিচ্ছি? তুমি চলে এসো এখানে!’’ গিয়ে কিছু ক্ষণ কুশল বিনিময়, তার পর এক সাথে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন শেষে কাল সকালে তাঁর বাসায় আড্ডার নিমন্ত্রণ।

যার কথা এতো ক্ষণ বললাম তিনি বাংলার এক মহীয়সী নারী রিজিয়া খাতুনের কন্যা স্বতন্ত্রা বুলবুল। তার নিমন্ত্রণটি আমি উৎসাহের সাথে গ্রহণ করলাম, কারণ আমার একটি বিশেষ উদ্দেশ্য ছিল্ যে, রিজিয়া খাতুনকে নিয়ে আমি লিখব। তাই সুযোগটি হাত ছাড়া না করার মত বুদ্ধিমান হয়ে উঠলাম তৎক্ষণাৎ।

পরদিন সকাল ১০টার দিকে দরজায় হাজির হয়ে কলিং বেল টিপতেই রিজিয়া আপার কন্ঠ, ‘কে?’  আমি আমার নাম বলতেই তিনি বললেন শন্তু সোহাগ এসেছে দরজাটা খুলে দে। শন্তু আসলে সতন্ত্রা বুলবুলের ডাক নাম। আমাকে অভ্যর্থনা জানিয়ে শন্তু দি গেলেন চায়ের  বন্দবস্ত করতে। যাকে দেখলেই শ্রদ্ধায় আমার শীর নত সেই মানুষটি আমার সামনে, যিনি কিনা খ্যাতি, পরিচিতি, লোভ স্বার্থ সব কিছুর ঊর্ধে তাঁকে কেন্দ্র করে আমি নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য উদগ্রীব একথা ভেবে নিজে খুব সংকোচ বোধ করছিলাম। কিন্তু তার হাস্যজ্জল কথপকথন আমাকে আরো সহজ করে তুললো।

আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনার বাবা কমরেড নুরজালাল তে-ভাগা আন্দোলনের অন্যতম নেতা সেটা জানি। শুনেছি আপনিও নাকি সে সময় বৃটিশ সরকারের এক পুলিশের চোখে ঢিল ছুড়ে দিয়েছিলেন? তিনি হেসে উঠলেন  যেন ঘা মেরেছি স্মৃতির মৌচাকে! আর শুরু হয়ে গেল কথার গুন গুনানি তিনি বলতে শুরু করলেন, ‘আমার বয়স তখন ছয়-সাত বছর হবে। ১৯৪৫ সাল । আমাদের গ্রামের বাড়ি ডুমুর তলা, কমঃ নুরজালালকে ধরার জন্য পুলিশ আসছে এ খবর পেয়ে গ্রামের ছেলে বুড়ো নারী পুরুষ সবায় তৈরি মহিলা আর শিশুরা মাটির হাড়ি ভাঙ্গা চাড়া, ইটের খোয়া আর ঝাড়ু নিয়ে প্রস্তুত। বড় রাস্তা  থেকে আমাদের বাড়ির সরু রাস্তার দিকে ঢুকতেই সবাই চিৎকার শুরু করে দিল  সবাই হাড়ি ভাঙ্গা চাড়া, ইটের খোয়া  আধলা ইট ছুঁড়তে লাগল। বাবা কে ধরে নিয়ে যাবে বলে আমিও বেশ শংকিত ছিলাম আমি একটি ইটের খোয়া নিয়ে ছুড়ে মারলাম লাগল গিয়ে ইন্সপেক্টরের চোখে। এই খবর জানাজানি হওয়ার পর আমাকে একটি মেডেল আর একটি রুমাল উপহার দেওয়া হলো। আর আমি উপাধি পেলাম ‘বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের ক্ষুদে কর্মী।‘ কিন্তু আমি কি তখন ওসব কিছু বুঝি! তবে সবাই যখন আমাকে দেখতে আসছিল আর আমার প্রশংসা করছিল । তখন বুঝলাম আমি বিরাট কিছু করে ফেলেছি। বেশ মজাও লাগছিল তখন।

ততক্ষণে শন্তুদি চা দিয়ে গেছেন। চা খেতে খেতে জিজ্ঞেস করলাম আপনিতো ভাষা সৈনিক ভাষা আন্দোলনের কথা কি কিছু বলতে পারবেন?‘’আমি তখন ক্লাস সেভেনে পড়ি। তখন তো আজকের মত এমন সহজ মিডিয়া ছিলনা। আমরা পত্রিকা পেতাম একদিন পরে। তাই যে কোন কর্মসূচি আমরা একদিন পরে পালন করতাম।আমরা ২২শে ফেব্রুয়ারি মিছিল করেছি। তখন শিক্ষকরা নানা ভয় ভীতি দেখিয়ে ছেলে-মেয়দের আসতে দিতো না। অবশ্য চাকরির ভয়েই তাঁরা একাজ করতেন। মাত্র ২০-২৫ জন মানুষ মিলে মিছিল করেছিলাম।মিছিলের সামনের সারিতে ছিলাম আমি, বুলবুল ও আর একটি মেয়ে। সেদিনিই আমরা নড়াইলের পৌর পার্কের পশ্চিম পাশে কালিদাস ট্যাঙ্ক-এর পাশে একটি শহীদ মিনার বানিয়েছিলাম।  নড়াইলের প্রথম শহীদ মিনার ছিল ওটা।১৯৫৩ সালে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে নড়াইলের দূর্গাপুরের মাঠে জনসভা হয়েছিল। সেখানে প্রায় বিশ হাজার লোক হয়েছিল। সেখানে আমি একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছিলাম, ’’ আমি মাওলানা ত্বহার গ্রেফতারের প্রতিবাদ করছি’’ এরকম আরো কিছু কথা ছিল সেই লিখিত বক্তব্যে। 

চা খেতে খেতে নতুন প্রশ্নের ফন্দি আটছিলাম। এটা সেটা কথার ফাঁকে জিজ্ঞেস করে বসলাম, কমরেড আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে যুক্ত হলেন কেমন করে?  কথাটা বলতেই তিনি কেমন যেন গম্ভির হয়ে গেলেন। সে চেহারায় ক্ষোব ছিল না শোক ছিল বুঝতে পারলাম না! তবে তিনি আমাকে এড়িয়ে গেলেন্ না। দিনটি ছিল ১৭ জানুয়ারি ১৯৫৮ কমিউনিস্ট পার্টির মিটিং টাঙ্গাইলের সন্তোষ গ্রামে সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ভাসানী, বটুদত্ত, অমল সেন, আবদুর রাজ্জাক আরো অনেকে। মাওলানা ভাসানী সেখানে উত্থাপন করলেন যে নুর জালালের মেয়েকে বিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তোমাদের মধ্য থেকে কেউ সেটা করতে পারো। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় আব্দুর রাজ্জাকের সাথে বিয়ে হবে আমার। পাত্র ভাল সবাই রাজি। রাজি  না শুধু আমি। তার অবশ্য দুটি কারণ ছিল প্রথমত আমার প্রচন্ড ইচ্ছে ছিল উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হবো। দ্বিতীয়ত আমার চেয়ে তার বয়স ২০ বছর বেশি ছিল। যে দিন আমাদের বিয়ে হবার কথা ছিল সেদিন তাঁর একটা জরুরী মিটিং পড়ে যায়। বিয়েতে উপস্থিত হতে না পারায় সে বিয়ে ভেঙ্গে গিয়েছিল। কিন্তু এক বছর পর গিয়ে তাঁর সাথে আমার বিয়ে হয়।‘’

শন্তুদির কাছে আমি রিজিয়া খাতুনের সাথে ছবি তোলার অনুমতি চাইলাম রিজিয়া খাতুন বিছানা ছেড়ে শাড়ি বদল করতে গেলেন। বসে বসে ভাবছিলাম এবং বিস্মিত হচ্ছিলাম তেভাগা আন্দোলনের বিজয়িনী, ভাষা আন্দোলনের ‘রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই’ মিছিলে যিনি সবার  সামনে, যার আকাশ ভাঙ্গা শ্লোগানে রাজপথ কম্পমান এমন একজন মানুষ নিজের বেলায় সব কিছু কেমন করে নিরবে মেনে নিলেন! আবার ভাবলাম মহান মানুষেরা হয়তো ব্যক্তিত্বের উর্ধে থাকেন। ততক্ষণে আপার শাড়ি পরা শেষ। আমরা ছবি তোলার জন্য উঠে গেলাম। ছবি তোলা শেষে।

 আমি ৭১ সালের প্রসঙ্গ তুললাম আপনি নাকি মুক্তি যোদ্ধাদের চিঠি বিলি করতেন?তিনি বললেন হ্যাঁ মুক্তি যুদ্ধর সময় আমার কাছে মোট দশটা চিঠি এসেছিল ভারত থেকে। নয়টি চিঠি পৌঁছে দিয়েছিলাম একটি চিঠি পৌঁছাতে পারিনি। আমরা তখন যশোর থেকে পালিয়ে এসেছি নড়াইলে। ছেলেটার নাম যে কি ছিল আমার মনে নেই তবে বেশ মোটা সোটা ছিল। কেমন যেন গড়িয়ে গড়িয়ে চলতো বলে সবাই ওকে গোড়ে বলে ডাকতো। যাহোক সেই গোড়ে, মুন্নু আর নুরুল নামের এই তিন জন বেনাপোল থেকে আমাকে চিঠি গুলি এনে দিত, একটি চিঠি দিতে গিয়্ প্রায় ধরা পড়েই গিয়েছিলাম! ডাকবাংলার সামনে দিয়ে রিক্সায় করে যাচ্ছিলাম! যশোরের রবিউল ডাক্তারের ভাই ব্যাঙ্কার মাসুদকে পৌছে দিতে গিয়েছিলাম। রাস্তায় দেখা হয়ে যায় সোলায়মান রাজাকারের সাথে। আমি দ্রুত চিঠিটা রিক্সার ছিটের নিচে লুকিয়ে রাখি। পরে অবশ্য তারা আর আমাকে ডাকেনি।

আপনি বলছিলেন একটি চিঠি পৌঁছে দিতে পারেন নি কেন?

যাকে চিঠিটা দেবার কথা ছিল সেই লোকটি সেদিন আসেন নি। চিঠিটা আমাদের বাক্সের মধ্যে রেখে দিয়েছিলাম দুয়েকদিন পরে সোলায়মান রাজাকার পাক আর্মি ও দলবল নিয়ে আমাদের বাড়ি ঘিরে ফেলে পাক আর্মি দের বলে এটা নুরজালালের বাড়ি সে একজন কমিউনিস্ট। তখন রেডিও শুনতাম তার দিয়ে বাঁশ টাঙ্গিয়ে এন্টিনার মতো একটা থাকতো। সোলায়মান বলে এরা জয় বাংলার খবর শোনে।এদের বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দিতে হবে। পরে সৈন্যরা ঘরে ঢুকে তল্লাশি চালায়। আমিতো ভয়ে ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছি যদি চিঠিটা পেয়ে যায় তাহলে তো রক্ষা নেই। আমাদের ঘরে তখন কিছু চাইনিজ পত্রিকা ছিল। সেগুলো তারা টেনে বের করে। ধারণা করা হয় সেই সৈন্য গুলো ছিল বেলুচস্তানের।ততকালীন পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি ওয়ালী খান ছিলেন বেলুচি। সে কারণেই হয়তো সৈন্যরা আমাদের কিছু বলেনি তারা বলে ছিল, না এরা আমাদের পক্ষে এরা আমাদের বন্ধু। তার পরই চিঠিটা পুড়িয়ে ফেলি।

আমি জানতে চাইলাম কি লেখাছিল সেই চিঠিতে?

 আমি একটা চিটিও পড়িনি চিঠি গুলো পড়া নিষেধ ছিল। তাছাড়া চিঠিতে কি লেখা আছে যদি আমি জেনে ফেলি আর যদি আমি কোন কারণে ধরা পড়ে যায়। তা হলে বলে দিতেও পারি । সেই ভয়ে একটি চিঠিও আমি পড়িনি।

 বর্তমান সময় নিয়ে আপনার ভাবনা কি?

আমি আসলে এখন আর ভাবতে পারি না। আশা নিরাশার দোলাচলে যাচ্ছে সময়। শাহবাগে যখন ছেলেমেয়েরা জেগে উঠেছিল, তখন আশান্বিত হয়েছিলাম।কাদের মোল্লার ফাঁসি যখন হয়েছিল বুক ভরে সেদিন দম নিয়েছিলাম । আবার যেদিন গোলাম আযমের যাবজ্জীবন হলো, সেদিন সারা দিন আমি কেঁদেছি। যে দেশের জন্য এতো ত্যাগ করেছে এতো মানুষ। কোন ধর্ম নয়, শুধু মাত্র আমাদের হাজার বছরের সংস্কৃতির প্রতি ভালবাসা থেকে। সেই দেশে আজ ভর করেছে মরু সংস্কৃতি । মরুর সেই তপ্ত বালু যেন ঝলসে দিচ্ছে আমার ভালবাসার শ্যামল বাংলা। মৌলবাদ আর জঙ্গিবাদ ভেংচি কাটছে। আর তাদের মুখ থেকে নির্গত দূর্গন্ধে নাক টিপে ঘরে ঢুকে যাচ্ছেন বিবেকবান মানুষ গুলো।যেন কেউ নেই ওদের রুখবার। আমার ঘরের পাশে আমার মেয়ে খোলা হাওয়া নামে  একটি গানের স্কুল করেছে । সেখানে ছেলে মেয়েরা রবীন্দ্র সঙ্গীত করে শুয়ে শুয়ে গান শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়ি। এমনি করেই একদিন ঘুমিয়ে পড়ব।

তখন প্রায় দুপুর রিজিয়া খাতুন যেমন বিপ্লবী তেমনি একজন স্নেহময়ী মা তেমনি অতিথি পরায়ণ আমি বুঝতে পারলাম এক্ষণি যদি না বেরিয়ে পড়ি আমাকে দুপুরে তার বাড়িতে খেতেই হবে।অতঃপর সেদিনের মত বিদায় নিলাম।       

  

সম্পর্কিত আরো পোস্ট

আমাদের ফেইসবুক

রাশিফল

  • sagittarius

    মেষ

  • sagittarius

    বৃষ

  • sagittarius

    মিথুন

  • sagittarius

    কর্কট

  • sagittarius

    সিংহ

  • sagittarius

    কন্যা

  • sagittarius

    তুলা

  • sagittarius

    বৃশ্চিক

  • sagittarius

    মকর

  • sagittarius

    কুম্ভ

  • sagittarius

    মীন

  • sagittarius

    ধনু

  • মেষ 22 January 2017

    কোনো ব্যাপারে অনিশ্চয়তায় ভুগতে পারেন। প্রতিপক্ষকে আয়ত্তে আনতে আরো অপেক্ষা করতে হবে। বন্ধু কিংবা সহকর্মীর পেছনে অর্থ ব্যয় হবে। সন্তানদের লেখাপড়া নিয়ে উদ্বেগ বাড়বে।

  • বৃষ 22 January 2017

    তুচ্ছ কারণে এই রাশির জাতকরা আজ হয়রানির শিকার হতে পারেন। বুদ্ধি দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারলে লাভবান হবেন। সহকর্মীদের সহযোগিতা পাবেন কর্মক্ষেত্রে।

  • মিথুন 22 January 2017

    অন্যের কথায় নির্ভর না করে নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিন। বিক্ষিপ্তভাবে কাজ করে সময় নষ্ট করলে দিনশেষে খেসারত দিতে হবে। প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে আরো ধীরস্থির হতে হবে। 

  • কর্কট 22 January 2017

     

    আজ অসাবধানতার কারণে কোনো জিনিস হারাতে পারে। পুরনো পাওনা আদায়ে নতুন বিড়ম্বনায় পড়বেন। পারিবারিক ঝামেলা এড়াতে আরো কৌশলী হওয়ার দরকার। 

  • সিংহ 22 January 2017

     

    এই রাশির জাতকদের আজ কর্মক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা আছে। শিল্প, সাহিত্য কিংবা বিনোদনমূলক কাজে জড়িয়ে যেতে পারেন। আজ গান শুনতে মন চাইবে। যাত্রা শুভ। 

  • কন্যা 22 January 2017

    বাড়িতে অতিথির আগমন ঘটবে। দিনশেষে প্রশংসা মিলবে রাজনীতিবিদদের। কর্মস্থলে কোনো সহকর্মী ঝামেলা পাকাতে পারেন। ভুল বোঝাবুঝি হবে প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে। 

  • তুলা 22 January 2017

    স্থলপথের যাত্রায় সতর্ক থাকুন। কোথাও থেকে কোনো সুখবর পেতে পারেন। কাজকর্মের অগ্রগতি হবে। ভালো যাবে পারিবারিক সম্পর্কও। প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।

  • বৃশ্চিক 22 January 2017

    আজ আত্মীয়ের সংখ্যা বাড়বে। পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়বে শিক্ষার্থীদের। কর্মক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিক প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হবে।

  • মকর 22 January 2017

    নতুন কোনো কাজের সন্ধান মিলবে। স্বাস্থ্য খুব একটা ভালো যাবে না, পুরনো কোনো ব্যাধিতে ভুগতে পারেন। যানবাহনের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। দুর্ঘটনার আশঙ্কা আছে। বিনোদন শুভ।

  • কুম্ভ 22 January 2017

    অর্থনৈতিক সমস্যায় বিচলিত হওয়া ঠিক হবে না। বরং ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলা করাই ভালো। এ ছাড়া কাজকর্মে মনোযোগ দিতে হবে। অন্যকে খুশি করতে বাড়াবাড়ি করবেন না। 

  • মীন 22 January 2017

    সামাজিক কাজে এই রাশির জাতকরা প্রশংসা পাবেন। ঠিকঠাক দায়িত্ব পালনের কারণে আজ আপনার দায়িত্ব আরো বেড়ে যাবে। পারিবারিক ঝামেলায় উদ্বেগ বাড়বে। দূরের যাত্রা শুভ। 

  • ধনু 22 January 2017

    নতুন গৃহসামগ্রী কিনতে গিয়ে অনেকগুলো টাকা খরচ হবে। বিদেশি সংস্থা বা ব্যক্তির সঙ্গে চুক্তি হবে কারো কারো। বিনোদন ও রোমান্স শুভ। স্ত্রীকে আরো বেশি সময় দিন। দূরের যাত্রা শুভ। 

ফটো গ্যালারি